বাংলা চটি গল্প: সামিনার বাসর রাতের অভিজ্ঞতা | Bangla Choti

বাসর ঘরে নতুন শাড়ি পরা সামিনা ও রোমান্টিক মুহূর্ত।

বাসর ঘরের মিষ্টি মুহূর্ত

আমি রুমে ঢুকলাম। দেখলাম সামিনা খাটের উপর বসে আছে। সে তখনো বিয়ের শাড়ি পরে ছিল। এরপর আমি গিয়ে তার পাশে বসলাম। বিভিন্ন কথাবার্তা বলতে শুরু করলাম। মূলত চাচ্ছিলাম তার সাথে একটু ফ্রি হতে। তাছাড়া তার বাসর ঘরের ভীতিটাও কাটাতে চাচ্ছিলাম।

ভয় কাটানোর চেষ্টা

আগে থেকেই বাসর ঘরে কিছু খাবার ছিল। ভাবিরা ফলমুল ও মিষ্টি দিয়ে গিয়েছিল। সেগুলো আমি নিজে খাচ্ছিলাম। পাশাপাশি সামিনাকেও খাইয়ে দিচ্ছিলাম। এই বিষয়গুলোতে আমি আগে থেকে অভিজ্ঞ ছিলাম। তবে সামিনা ছিল একদম নতুন। তাই তার ভয় কাটানোর জন্য অনেক সময় নিচ্ছিলাম।

সামিনার দ্বিধা ও সংকোচ

একসময় তার মুখটি আলতো করে তুলে ধরলাম। এরপর কপালে একটি চুমু খেলাম। দেখলাম সে তাতে সামান্য কেঁপে উঠলো। তখন তার হাতটা ধরে আস্তে আস্তে চাপতে লাগলাম। তাকে বিয়ের পরের বিষয়গুলো বোঝানো শুরু করলাম। হঠাৎ একটি প্রশ্ন করলাম। জানতে চাইলাম বিয়ের রাতে নতুন বৌ-জামাই কী করে। সে ব্যাপারে তার কোনো ধারণা আছে কি না। কারণ নানি, ভাবি বা বান্ধবীদের কাছ থেকে অনেকেই শোনে।

বান্ধবীর ভয়ের গল্প

সে লজ্জায় লাল হয়ে গেল। এরপর বললো তার এক বিবাহিত বান্ধবীর কাছ থেকে সে অনেক কিছু জেনেছে। তার বান্ধবী নাকি তাকে বেশ ভয় দেখিয়েছে। বলেছে, বাসর রাতে প্রথম ওই কাজ করার সময় অনেক ব্যথা পাওয়া যায়। ফলে সে খুব ভয় পাচ্ছে।

জীবনের নতুন অধ্যায়

আমি পরিস্থিতি বুঝতে পারলাম। অনুভব করলাম ওর সাথে সব কিছু আস্তে আস্তে শুরু করতে হবে। তাই তাকে অভয় দিলাম। তার পাশে বিছানায় শুয়ে পড়লাম। আস্তে করে তাকে আমার পাশে টেনে নিলাম। তাকে আমার দিকে ফিরে শোয়ালাম। এরপর আমার বাম হাতটা খাড়া করলাম। সেখানে আমার মাথাটা রাখলাম। ডান হাত দিয়ে তার চুলে বিলি কাটতে লাগলাম।

প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়ম

বললাম, “দেখ সামিনা, সবাই একসময় বড় হয়। বিয়ের পিঁড়িতে বসে নিজের সংসার শুরু করে। এটা মূলত সামাজিক ও দৈহিক দুটো চাহিদার জন্যই হয়। তাছাড়া এটা প্রকৃতিরই নিয়ম। পৃথিবী সৃষ্টি থেকেই এই নিয়ম চলে আসছে। আজ আমরাও সেই প্রকৃতির বিধানে একঘরে অবস্থান করছি। সুতরাং একজন প্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে হিসেবে তোমাকে নরনারীর চাহিদা বুঝতে হবে।”

রোমান্টিকতার শুরু

নিশ্চয়ই তারও সেই চাহিদা রয়েছে। এটা আসলে খুবই আনন্দের ব্যাপার। তাই বিষয়টি ভয় হিসেবে না নিয়ে আনন্দ খোঁজার পরামর্শ দিলাম। এতে সে মজাও পাবে। আমিও তেমন মজা পাবো। তাকে এই কথাগুলো বলছিলাম। পাশাপাশি তার হাতে, কপালে, গালে হাত দিয়ে আদর করে দিচ্ছিলাম।

দুজনের কাছাকাছি আসা

ফলে তার জড়তাটুকু আস্তে আস্তে কমে আসছিল। সে তখন আমাকে মনের কথা বললো। তার এই বিষয়টি সম্পর্কে ধারণা আছে। তবে ভয়ও কাজ করছে। আমি বললাম ভয়ের কিছু নেই। শুধু আমার কাজে রেসপন্স করতে বললাম। কারণ এতে সব কিছুই স্বাভাবিক হয়ে যাবে। এরপর তার কপালে একটা চুমু দিলাম। আস্তে আস্তে দুই চোখে, গালে, থুতনিতে চুমু দিতে লাগলাম।

আবেগের তীব্রতা

আমি তখনো চুলে হাত দিয়ে বিলি কাটছিলাম। এবার দুই গালে হাত দিয়ে ধরলাম। তার লাল লিপিষ্টিক দেওয়া ঠোঁটে মুখ নামিয়ে আনলাম। প্রথমে আস্তে আস্তে চুমু খেলাম। এরপর বেশ গাঢ় করে চুমু দিতে লাগলাম। এইবার দেখলাম সে যথেষ্ট স্বাভাবিক। চুমু দিতে দিতে তাকে একটা কথা বললাম। “কী সামিনা, তুমি আমাকে চুমু দিবে না? কেউ কিছু গিফ্ট করলে প্রতিদানে কিছু দিতে হয়।”

আদর ও সোহাগ

সে তখন কিছু বললো না। তবে দুই হাত দিয়ে আমার মাথাটা জড়িয়ে ধরলো। সে আমার ঠোঁটে একটি লম্বা চুমু দিল। প্রতিদানে আমিও তাকে জড়িয়ে ধরলাম। শক্ত করে চুমু দিতে লাগলাম। এভাবে চুমাচুমির পর একটু এগোলাম। আস্তে আস্তে ডান হাতটি তার শাড়ির ফাঁক গলিয়ে পেটে রাখলাম। মনে হলো সামিনা একটু কেঁপে উঠলো।

মিষ্টি খুনসুটি

হাতের আঙুলের মাথা দিয়ে পেটে সুড়সুড়ি দিতে লাগলাম। তাছাড়া সামিনার গলা ও ঘাড়ে চুমো দিচ্ছিলাম। সেখানে গরম নিশ্বাস ফেলতে লাগলাম। ফলে সামিনা চোখ বন্ধ করে কাঁপতে লাগলো। সে ফিসফিস করে বললো, “কী করবে?” আমি উত্তর দিলাম, “তোমার জিহ্বাটা চুষবো।” সে বললো, “না, আমার কেমন জানি লাগে।”

চরম উত্তেজনার মুহূর্ত

আমি অনুরোধ করলাম একটু চোষার জন্য। তখন সে জিহ্বাটা বের করে দিল। আমি তার জিহ্বাটা টেনে চুষতে লাগলাম। মাঝে মাঝে জিহ্বা সহ পুরা ঠোঁট জোড়া মুখে নিলাম। সেও প্রতি উত্তরে আমার জিহ্বা ও ঠোঁট চুষতে লাগলো। আমি জিজ্ঞেস করলাম, “ভালো লাগছে?” সে সম্মতি জানালো। আরও জোরে চোষার জন্য অনুরোধ করলো।

সামিনার ভয়

এদিকে ঘষাঘষির ফলে আমার উত্তেজনা বেড়ে গেল। পাজামার নিচে সেটা একদম লোহার মত শক্ত হয়ে উঠলো। তাই আস্তে করে পাজামার দড়িটা খুললাম। জাঙ্গিয়া সহ তা কোমর থেকে নামিয়ে দিলাম। সাথে সাথে সেটা সামিনার উরুতে ঘষা খেতে লাগলো। এতক্ষণ কাপড় থাকাতে সে ছোঁয়াটা বুঝতে পারেনি।

অভয় দেওয়া

এবার অস্তিত্ব টের পেয়ে সে একটু সরে গেল। তবে সে আমাকে ঠিকই চুমো দিচ্ছিল। আমি তখন তার একটা হাত টেনে নিলাম। আমার শক্ত জিনিসটাতে ধরিয়ে দিলাম। সে সেটা ধরেই হাত সরিয়ে নিল। আমাকে ধাক্কা দিয়ে দূরে সরিয়ে দিল। এরপর সে উঠে বসে পড়লো। আমি জিজ্ঞেস করলাম কী হয়েছে। সে ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে এর আকার নিয়ে প্রশ্ন করলো।

আনন্দের খোঁজ

আমি হেসে বললাম, এটাই তো ভালো। সব মেয়েরাই এমন পছন্দ করে। তুমি ভয় পাচ্ছ কেন? সে জানালো, এটা কখনোই তার ভেতর ঢুকবে না। আর ঢোকালে সে মরেই যাবে। আমি জানতে চাইলাম এ সম্পর্কে তার কোনো ধারণা আছে কি না। সে বিবাহিত বান্ধবীদের কাছে শুনেছে। ঢোকার সময় নাকি খুব ব্যথা পাওয়া যায়।

ভালোবাসার চিহ্ন

বাস্তবে আমারটা দেখে সে নিশ্চিত মরে যাওয়ার ভয় পাচ্ছিল। আমি তাকে অভয় দিলাম। বললাম, সে ঠিকই শুনেছে। প্রথম ঢোকানোর সময় হয়তো একটু ব্যথা লাগে। কিন্তু একবার ভেতরে নিলে তখন অসম্ভব মজাও পাওয়া যায়। যা সে চিন্তাও করতে পারবে না। আমি তার স্বামী। নিশ্চয়ই চাইব না সে কষ্ট পাক। জোর করলে সে আরও বেশি ব্যথা পাবে।

উত্তেজনার পারদ

দুজনের সমান আগ্রহ থাকলে ব্যথা কমে যায়। পরবর্তীতে সে ঠিকই আনন্দ পাবে। তাই ভয় না পেয়ে আমাকে সহযোগিতা করতে বললাম। আমার কথা মেনে চললে বেশি ব্যথা পাবে না। এভাবে কিছুক্ষণ বোঝানোর পর তার ভয় কিছুটা কাটলো। আমি তাকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে পড়লাম। তার বুকে হাত দিতে লাগলাম। পিঠে, পাছায়, গলায় হাত বুলাতে শুরু করলাম।

নতুন অভিজ্ঞতা

জিহ্বা সহ পুরো ঠোঁট চুষতে লাগলাম। গলায় ও বুকে শক্ত করে চুমু দিলাম। সে ব্যথায় কঁকিয়ে উঠলো। সে ফিসফিস করে বললো গলায় দাগ হয়ে যাচ্ছে। সকালে সবাই দেখে কী বলবে। আমি উত্তর দিলাম, “কী আর বলবে! আমার বৌকে কামড়িয়ে দাগ বানিয়েছি, তাতে কার কী?”

বাংলা চটি গল্পের আসল মজা

সে লজ্জার কথা জানালো। আমি তাকে বোঝালাম এতে লজ্জার কিছু নেই। বরং সবাই নতুন বৌয়ের গায়ে এই দাগই খুঁজবে। আমার কথা শুনে সামিনা হেসে ফেললো। শক্ত করে আমার মাথাটা বুকে চেপে ধরলো। আমিও তার শরীরের নরম অংশগুলোতে আদর করতে লাগলাম। হালকা করে কামড়াতে লাগলাম। সেও পাগলের মত আমাকে চুমো খেতে লাগলো।

বাধা অতিক্রম

আমি তার ঠোঁট মুখের ভেতর নিয়ে চুষতে লাগলাম। মাঝে মাঝে অন্যান্য অঙ্গেও আদর করছিলাম। একটা হাত আস্তে আস্তে নাভির উপরে রাখলাম। আঙুলগুলো দিয়ে নাভির ভেতর সুড়সুড়ি দিতে লাগলাম। কিছুক্ষণ পর হাতটা আরও নিচে নামালাম। তল পেট ছুঁয়ে তার গোপন অঙ্গে হাত রাখলাম। আমার স্পর্শে সে কেঁপে উঠলো। আমি সেখানে আলতো করে ঘষতে লাগলাম।

চূড়ান্ত মিলনের প্রস্তুতি

এতে সে চরম উত্তেজিত হতে লাগলো। মাথার পেছনের চুল সে খামচে ধরলো। এবার আমি তার হাতটা টেনে নিলাম। আমার শক্ত জিনিসটা ধরিয়ে দিলাম। বললাম, “প্লিজ সোনা বৌ, এটা চেপে ধরে আস্তে আস্তে নাড়াচাড়া করো।” এবার সে কোনো বাধা দিল না। নির্দেশ মতো কাজ করতে লাগলো। আমিও তার গোপন অঙ্গে আঙুল দিয়ে খেলতে লাগলাম।

প্রথম প্রবেশ

আস্তে আস্তে ভেতরে প্রবেশ করিয়ে ঘষতে লাগলাম। সে চোখ বুঝে অদ্ভুত শব্দ করতে লাগলো। বুঝতে পারলাম সে বেশ উত্তেজিত। তখন জানতে চাইলাম কেমন লাগছে। সে জানালো শরীর কাঁপছে এবং ভালো লাগছে। মনে হচ্ছে ভেতরে কিছু ঢোকালে আরও ভালো লাগবে। আমি বললাম, এই তো আনন্দের শুরু। শুধু আমার কথা মতো কাজ করে যাও।

ব্যথার পর আনন্দ

সে জানালো আমাকে মজা থেকে বঞ্চিত করবে না। তবে ব্যথা না দেওয়ার অনুরোধ করলো। আমি তাকে পূর্ণ সুখ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলাম। সে জানতে চাইলো তাকে কী করতে হবে। আমি প্রথমে আমার জিনিসটা একটু চুষে দিতে বললাম। প্রথমে সে ঘেন্না লাগার কথা বললো। আমি বোঝালাম ঘেন্নার কিছু নেই। এটা শরীরেরই একটা অঙ্গ।

চরম সুখের অনুভূতি

ভালোভাবে চুষে দিলে আমি খুব উত্তেজিত হবো। ফলে তাকে ভালো সুখ দিতে পারবো। এই বলে আমি একটু উপরে উঠে আসলাম। তার মুখ বরাবর জিনিসটা রাখলাম। সে পেটিকোট দিয়ে সেটা মুছে নিল। এরপর জিহ্বা বের করে চাটতে লাগলো। আমি বললাম শুধু চাটলে হবে না। ভেতরে নিয়ে ভালোভাবে চুষতে হবে। তখন সে মুন্ডিটা মুখের মধ্যে নিল।

বাংলা চটি গল্পের রোমাঞ্চ

আমিও আস্তে আস্তে তার মুখের মধ্যে নড়াচড়া করতে লাগলাম। এরপর তাকে একটা গোপন কথা বললাম। এই কাজের সময় খারাপ কথা বললে উত্তেজনা বাড়ে। এতে দুজনই বেশি মজা পাবো। সে আমাকে আগে শুরু করতে বললো। আমি তাকে ধন্যবাদ দিলাম। এরপর তাকে চিৎ করে শোয়ালাম। সে বুঝতে পারলো না আমি কী করতে যাচ্ছি। আমি ৬৯ পজিশনে গেলাম। তার গোপন অঙ্গে মুখ রাখলাম। সে ঘেন্না লাগার কথা বলে উঠলো।

দীর্ঘক্ষণ মিলন

আমি তাকে ধৈর্য ধরতে বললাম। কথা শেষ না হতেই একটা জোরে ধাক্কা দিলাম। সাথে সাথেই মুন্ডিটা ভেতরে ঢুকে গেল। বুঝলাম তার সতীত্বের পর্দা ছিঁড়েছে। সামিনা জোরে চিৎকার দিয়ে চোখ উল্টিয়ে ফেলল। আমি মুখ চেপে ধরে দেখলাম তার কোনো নড়াচড়া নেই। বুঝলাম ব্যথায় সে জ্ঞান হারিয়েছে। তাই নড়াচড়া না করে চুপ করে শুয়ে রইলাম।

দ্বিতীয় রাউন্ডের শুরু

প্রায় ৩০ সেকেন্ড পর সে কঁকিয়ে উঠলো। দেখলাম চোখ গড়িয়ে পানি পড়ছে। সে কান্না জড়িত কণ্ঠে ব্যথার কথা জানালো। আমি বোঝালাম যতটুকু ব্যথা পাওয়ার তা পাওয়া শেষ। এখন শুধু আনন্দের সময়। এই বলে তার ওপর শুয়ে আদর করতে লাগলাম। তখনো জিনিসটা ভেতরে ঢোকানো ছিল। কিছুক্ষণ এভাবে করার পর তাকে জিজ্ঞেস করলাম। জানতে চাইলাম জিনিসটা বের করে নেব কি না।

চূড়ান্ত পরিণতি

সে বারণ করলো। কারণ পরে আবার ঢোকালে ব্যথা পেতে পারে। তাছাড়া এখন ব্যথা কম লাগছে এবং আরাম হচ্ছে। কথা শুনে বুঝলাম সে ঠিক পথে এসেছে। আমি ভেতরে রেখেই তাকে আদর করতে লাগলাম। সে আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে চুমু খেতে লাগলো। আমি তার প্রশংসা করতে শুরু করলাম। বললাম তার শরীর কতটা সুন্দর।

সেও কোমরের দোলানো বাড়িয়ে দিল। হঠাৎ সামিনা চিৎকার করে উঠলো। সে আমাকে পুরোটা ভেতরে ঢোকাতে বললো। আমি তাকে একটু অপেক্ষা করতে বললাম। কারণ নির্দিষ্ট ভাষায় না বললে মজা পাওয়া যায় না। আমার কথা শুনে সামিনা সেই ভাষাতেই কথা বলতে শুরু করলো। সে আমাকে গালি দিয়ে দ্রুত ভেতরে ঢোকাতে বললো। তার কথা শুনে আমি উদ্দীপ্ত হলাম। অর্ধেকটা বের করে এনে আবার ঢুকিয়ে দিলাম। এভাবে আস্তে আস্তে ধাক্কা দিতে লাগলাম। সে আমার ঘাড় জড়িয়ে ধরলো। আমাকে আরও জোরে ধাক্কা দিতে নির্দেশ দিল। আমার শক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুললো।

ফলে আমার মাথায় আগুন ধরে গেল। আমি পুরোটা বের করে আবার জোরে প্রবেশ করালাম। তাকে বলতে লাগলাম সে কেমন মজা পাচ্ছে। আমি জোরে জোরে ধাক্কা দিতে লাগলাম। সামিনা চরম সুখের কথা স্বীকার করলো। সে মরে যাওয়ার উপক্রম হলো। আরও জোরে ধাক্কা দেওয়ার জন্য গালি দিতে লাগলো। আমিও তাকে কথার মাধ্যমে উত্তেজিত করছিলাম। সে নিচ থেকে জোরে ধাক্কা মারতে লাগলো। শব্দ হতে লাগলো।

এভাবে প্রায় বিশ মিনিট চললো। সামিনার সারা শরীর কাঁপতে লাগলো। সে বুঝতে পারলো তার চূড়ান্ত সময় চলে এসেছে। জোরে জোরে চিৎকার করতে করতে সে প্রথমবার তৃপ্ত হলো। আমি তাকে অনবরত ধাক্কা মারতে লাগলাম। সে নিস্তেজ হয়ে চোখ বন্ধ করে শুয়ে রইল। এরপর সে আমাকে ছাড়তে বললো। আমি বললাম এখনো পরীক্ষা বাকি আছে। বের করে দেখলাম রক্তে ভরে আছে।

এরপর তাকে কাত করে শোয়ালাম। পেছন থেকে প্রবেশ করিয়ে আবার ধাক্কা মারতে শুরু করলাম। এতে সে আবারও উত্তেজিত হয়ে উঠলো। পেছন দিকে ধাক্কা মারতে মারতে সে সুখের কথা জানালো। সে আমাকে সারা রাত ধরে এই কাজ করতে বললো। আমি তাকে মনের মতো আদর করতে লাগলাম। শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে ধাক্কা দিচ্ছিলাম। সামিনাও চরম উত্তেজিত হয়ে সাড়া দিচ্ছিল।

সে আমাকে তার জীবনের শ্রেষ্ঠ সুখ দেওয়ার কথা জানালো। আরও জোরে করার জন্য পাগল হয়ে গেল। তার কথায় আমারও চূড়ান্ত সময় ঘনিয়ে এলো। আমি জোরে ধাক্কা দিয়ে গভীরে প্রবেশ করালাম। সাথে সাথেই আমার শরীর শান্ত হলো। সামিনাও দ্বিতীয়বারের মতো তৃপ্ত হলো। নিস্তেজ হয়ে আমরা প্রায় পাঁচ মিনিট শুয়ে রইলাম। পাঁচ মিনিট পর সামিনাকে জিজ্ঞেস করলাম প্রথম বাসর কেমন লাগলো। সে জানালো খুব ভালো লেগেছে।

শুরুতে ভয় পেলেও পরে আমি সহজ করে দিয়েছি। সে আশা প্রকাশ করলো আমি যেন সারা জীবন তাকে এভাবেই সুখী করি। সে আমাকে লম্বা চুমু দিল। আমিও তাকে সব সময় সুখী রাখার কথা দিলাম। এরপর দুজন একসাথে বাথরুমে গেলাম। পরিষ্কার হয়ে এসে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে পড়লাম। সকালে উঠে দেখি সে আগেই কাজে লেগে গেছে। হাঁটার সময় তার একটু কষ্ট হচ্ছিল। তা দেখে আমি মনে মনে হাসলাম।

Bangla choti, বাংলা চটি, বাসর রাতের গল্প, choti golpo, রোমান্টিক গল্প, romantic bangla choti, সামিনার চটি গল্প, বাংলা চটি গল্প।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *